.ব্যাতিক্রম জীমে তৈরী করে দেশ ব্যাপী সাড়া ফেলেছে এ পি পলাশ

adminadmin
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  11:08 AM, 10 December 2021

পৃথিবী জুড়ে শুরু হয় করোনা মহামারীর বিপর্যয়। করোনা মহামারীর শুরুতে মানুষ ঘরে থেকে থেকে ডিপ্রেশনসহ শারীরিক ভাবে অনেক দুর্বলতা হতে শুরু করে। পলাশ যেহেতু প্রত্যন্ত গ্রামে বাস করে সেখানে কোনো ধরনের জীমের সুযোগ তো দূরের কথা জীম স্বচোখে দেখেছেন এমন মানুষ মিলানো কষ্ট কর। ছেলেদের নিয়ে আলোচনায় বসে।সেই আলোচনায় সবাইকে পলাশ বুঝানোর চেষ্টা করে সুস্থ থাকতে হলে শরীর চর্চার কোনো বিকল্প নেই,নিয়মিত ব্যায়াম দেহ মনে শান্তি ও সুস্থতা বয়ে আনে। বিকালে যে সময় বাইরে সবাই ঘুরে অযাচিত নষ্ট করে, ঔ সময় টা কাজে লাগিয়ে সুস্থ থাকা যায় সেই বিষয় সবাইকে উৎসাহিত করে এবং সবাই কে বুঝাতে সক্ষম হোন শরীর চর্চার কোনো বিকল্প নেই।গ্রামের অন্যান ছেলেরা তার ডাকে সাড়া দেয়। পলাশের নেতৃত্ব শুরু হয় নতুন জীম তৈরীর পরিকল্পনা। জীম ছাড়া শরীর চর্চা সম্ভব না এমন টা সবাই মনে করেন।এই সব গতানুগতিক ধারার বাইরে যেয়ে নিজ চেষ্টায় এক অন্যন দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করেছেন এই তরুন জীম উদ্যোক্তা এপি পলাশ। তার জীমের প্রথম উপকরণ হলো হাতের কাছে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা ইট-বালি, মাটি-সিমেন্ট, প্লাস্টিকের পাইপ, বোতল, গাছের ডাল, বাঁশ-খুঁটি সহ পরিত্যাক্ত সব সামগ্রী হলো জিমের সরঞ্জাম। এসব দিয়ে গ্রামে বসেই এপি পলাশের নেতৃত্বে একদল তরুণ ভিন্ন আঙ্গিকে তৈরী করেছে ডাম্বেল, বারবেল, পুলআপ বার, দঁড়িলাফ সহ আধুনিক জিম বা ব্যায়ামাগারের সব যন্ত্রপাতি। টেকনোলজি কে টেক্কা দিয়ে কোন রকম অর্থ বা পয়সা-কড়ি ছাড়াই তৈরী করা হচ্ছে ভারী ব্যায়ামের এসব যন্ত্রপাতি। কাঞ্চন, পারভেজ, রাব্বি, সবুজসহ কয়েকজন জানান, কোনো টাকা-পয়সা ছাড়াই এসব সরঞ্জাম দিয়ে তারা শরীরচর্চা করছেন।তারা সবাই আগের তুলনায় অনেক সুস্থ এবং সুন্দর আছেন। ব্যতিক্রমী এ জিমনেশিয়ামের উদ্যোক্তা এপি পলাশ জানান, শরীর অনুযায়ী ব্যায়ামসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে নিয়মিত পড়াশোনা করছেন তিনি। এছাড়া প্রশিক্ষণ নেয়ার পাশাপাশি নিয়মিত ইউটিউবে বিভিন্ন কনটেন্ট দেখে তরুণদের শরীরচর্চায় উৎসাহিত করছেন। পলাশ আরে মনে করেন তার এই উদ্যোগ উদ্যোগ সারাদেশে ছড়িয়ে পড়লে দেশের তরুণ সমাজ একত্রিত হয়ে তাদের পাড়া বা মহল্লায় গড়ে উঠবে এমন অসংখ্য জিম।দেশে থেকে নিমূল হবে মাদক সহ অন্যান খারাপ নেশা।

আপনার মতামত লিখুন :